খুঁজুন

রমরমা তদবির বাণিজ্য বন্ধ

প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন, আছে ৭ শর্ত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষক বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন, আছে ৭ শর্ত

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়নের নতুন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনার মুখে অবশেষে বদলি ও পদায়ন কমিটি থেকে অস্পষ্ট ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ রাখার বিধানটি বাদ দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে এখন থেকে কমিটিতে স্থান পাবেন বিদ্যোত্সাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে জাতীয় কমিটির নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া সুনির্দিষ্ট করতে ৭টি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে থেমেছে এই ‘বদলি বাণিজ্য’। গত মার্চ থেকে জুন-এই চার মাসে সহস্রাধিক বদলি বাণিজ্যের ঘটনা ঘটে। প্রেষণ বা সংযুক্তির মাধ্যমে ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরের নামি স্কুলগুলোয় পদায়ন করা হয় বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি অবহিত হয়ে গত ১৫ জুন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলনকে বদলি বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২১ জুন বদলিকে কেন্দ্রীয়ভাবে না রেখে চার স্তরের (উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয়) কমিটি গঠন করে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়। ঐ দিন এ সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রণালয়। তবে অনলাইনের পরিবর্তে সনাতন (ম্যানুয়াল) ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা এবং উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দু’জন করে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষা প্রশাসন ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর মধ্যে চরম অসন্তোষ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বলতে আসলে কাদের বোঝানো হচ্ছে, তা নীতিমালায় স্পষ্ট ছিল না। ফলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সরকারি শিক্ষকদের বদলির মতো একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বহিরাগত বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের যুক্ত করা হলে স্বচ্ছতা নষ্ট হবে এবং তদবির ও অনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুযোগ তৈরি হবে। এই সমালোচনার মুখেই নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়।

গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশোধিত নীতিমালা জারি করে, যা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী, চার স্তরের কমিটির কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ের কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’র স্থলে এখন থেকে দুজন করে বিদ্যোত্সাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হবেন। নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা কিংবা থানা কমিটির সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও); জেলা কমিটি সভাপতি থাকবেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিভাগীয় কমিটি সভাপতি থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার।

এদিকে জাতীয় কমিটির নেতৃত্বেও বড় রদবদল করা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে এই কমিটির সভাপতি করা হলেও, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় কমিটির সভাপতি হবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বিদ্যালয়) এবং সদস্যসচিব হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) দায়িত্ব পালন করবেন।

বদলিতে যুক্ত হলো নতুন ৭টি শর্ত:

আগের নীতিমালায় বদলির প্রক্রিয়া ও যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। নতুন সংশোধিত নীতিমালায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফেরাতে সাতটি সুনির্দিষ্ট শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

★১. চাকরির মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকা বদলিযোগ্য হবেন না। সেক্ষেত্রে বদলির পর তিন বছর অতিক্রম না হলে কোনো শিক্ষক পুনর্বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

★২. সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে কেবল শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা যাবে।

★৩. কোনো শিক্ষকের আবেদন ছাড়া নিজ বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থে বা প্রশাসনিক কারণে জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।

★৪. যেসব বিদ্যালয়ে ৫ জন বা তার কমসংখ্যক শিক্ষক কর্মরত আছেন কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে বদলি করা যাবে না।

★৫. একই বিদ্যালয়ে একাধিক শিক্ষক আবেদন করলে যথাক্রমে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা অগ্রাধিকার পাবেন।

★৬. একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ ৩ জন শিক্ষককে ‘সংযুক্তি’ পদায়ন করা যাবে।

★৭. বদলির ক্ষেত্রে সব শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষিকারা স্থায়ী ঠিকানা বা স্বামীর ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

কমিটিগুলো প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করে আবেদন নিষ্পত্তি করবে: সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, কমিটিগুলো প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করে বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি করবে। একই উপজেলা, জেলা বা বিভাগের মধ্যে বদলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনে আদেশ জারি হবে এবং আন্তঃবিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনের বদলিগুলো জাতীয় কমিটি নিষ্পত্তি করবে। নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে পদায়নের দায়িত্ব জেলা কমিটির কাছেই বহাল রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নতুন শর্ত ও পরিবর্তনের ফলে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে তদবির ও অনিয়ম অনেকটাই হ্রাস পাবে।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে