বেলকুচিতে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ পুলিশ এবং ইউএনএফপিএ (UNFPA)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন PREVAIL প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানায় কমিউনিটি পর্যায়ে ‘পুলিশ নারী হেল্প ডেস্ক সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (GBV) প্রতিরোধ’ বিষয়ক এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) বেলকুচি থানায় আয়োজনে বেলকুচি সরকারি কলেজ হল রুমে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুলিশের নারী হেল্প ডেস্কের কার্যক্রম সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমাম জাফর।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম গোলাম, বেলকুচি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হাজী আলতাফ হোসেন প্রামানিক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব বনি আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান সরকার, বেলকুচি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বেলকুচি উপজেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রশিদ শামীম, অফিস সেক্রেটারি আবুল হোসেন ভূঁইয়া, পৌরসভা আমীর মাওলানা গোলাম সারোয়ার, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দিন প্রামানিক এবং পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মনোয়ার হোসেন শামীমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তারা বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা গোপন না রেখে দ্রুত পুলিশের নারী হেল্প ডেস্কে জানালে ভুক্তভোগীরা আইনি সহায়তা, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।
সভাপতির বক্তব্যে ওসি ইমাম জাফর বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বেলকুচি থানার নারী হেল্প ডেস্কে যেকোনো ভুক্তভোগী বা তার স্বজন নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সকলের সহযোগিতায় জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতামুক্ত, নিরাপদ ও সচেতন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পুলিশের নারী হেল্প ডেস্কের সেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




আপনার মতামত লিখুন