খুঁজুন

ছিলোনা ওভারমার্কিং, শিক্ষার মান নিশ্চিত

গণিতে ভরাডুবি: এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের কয়েক কারণ

মোঃ হাসানুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
গণিতে ভরাডুবি: এসএসসিতে ফল বিপর্যয়ের কয়েক কারণ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার ভয়াবহ ফল বিপর্যয় হয়েছে। বিগত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। গত ১৬ বছরের রেকর্ডেও এমন কড়াকড়ি ছিল না। মূলত গণিত বিষয়ে ফেল করার কারণে এবার ফলাফল খারাপ করেছে অধিকাংশ বোর্ড। যে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা গণিত বিষয়ে ভালো করেছে, সেখানে গড় পাসের হারও বেড়েছে। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকেই জানিয়েছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তাদের মতে- শিক্ষা ব্যবস্থা কড়াকড়ি হলে সবাই পড়ালেখাই মনোযোগী হবে।

গত কয়েক বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েই চলেছিল। তবে এবার সেই ধারায় বড়সড় ছেদ পড়েছে। চলতি বছরের ফলাফল গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাসের হার কমেছে ১৪.৫৯ শতাংশ। আর জিপিএ ৫ গত বছরের তুলনায় কমে গেছে ৪৩ হাজার ৯৭ জন।

বোর্ড ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের খারাপ ফলের পেছনে ৪টি বড় কারণ রয়েছে। এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষাবিদ, শিক্ষক ও বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেও একই রকম তথ্য উঠে এসেছে।

প্রথম কারণ:
এবার কোনো রকম বাড়তি নম্বর বা ওভারমার্কিং করা হয়নি। যা শিক্ষার প্রকৃত মান নিশ্চিততে বড় ভূমিকা রেখেছে।

এবার শিক্ষকদের স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল- উত্তরপত্রে যা প্রাপ্য, শুধু সেটাই দিতে হবে। ফলে এবারের ফলাফলকে বলা হচ্ছে ‘প্রকৃত মূল্যায়ন’। আগের বছরগুলোতে অনেক ক্ষেত্রেই নম্বর ‘উদারভাবে’ দেওয়া হতো, বিশেষ করে পাস নম্বর বা জিপিএ ৫-এর কাছাকাছি নম্বর হলে তা বাড়িয়ে দেওয়া হতো। এবার সেটি করা হয়নি।

দ্বিতীয়ত কারণ:
প্রায় অধিকাংশ বোর্ডেই শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে খারাপ করেছে গণিতে। বিশেষ করে এবার মফস্বল বা গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা শহরের তুলনায় গণিতে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে গণিতে পাসের হার ছিল সবচেয়ে কম- প্রায় ৬৪ শতাংশ। এসকল অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের ওপর গণিত বিষয় বড় প্রভাব ফেলেছে।

তৃতীয় কারণ:
পাশের হারে বড় বিপর্যয়ের তৃতীয় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে দেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বা রাজনৈতিক অস্থিরতা। ওই সময় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি আন্দোলনে সরাসরি অংশ নেয়। কারো কারো মধ্যে মানসিক চাপ বা ট্রমাও কাজ করেছে। পড়ালেখায় পড়েছে ধস। কেউবা আন্দোলনে সক্রিয় থাকায় পড়ার টেবিলে সময় দিয়েছে কম।

চতুর্থ কারণ:
কথিত নতুন কারিকুলামের নামে শিক্ষা ব্যবস্থায় হঠাৎ করে একটি বড় ধাক্কা দেয় তৎকালীন শিক্ষাখাত। যা ছিলো তুমুল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু, যেটাকে কারিকুলাম অস্থিরতাও বলা হয়। যারা এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, তারা নবম শ্রেণিতে ছিল নতুন কারিকুলামে। কিন্তু দশম শ্রেণিতে গিয়ে আবার ফিরতে হয় পুরনো পাঠ্যক্রমে। ফলে দুই বছর দুই রকম বই ও অগোছালো পদ্ধতিতে পড়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে হয়েছে পুরনো কাঠামোতেই, পূর্ণ নম্বর ও সিলেবাসে। এতে শিক্ষার্থীরা মানিয়ে নিতে পারেনি। যা স্বাভাবিকভাবেই তাদের উপর বেশ প্রভাব ফেলেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষা গবেষক বলেন, “মূলত এমনটাই হওয়া দরকার এবং আরও আগেই প্রয়োজন ছিল। ফল যেটা হয়েছে, সেটাই হওয়া উচিত। আগে যেভাবে ওভারমার্কিং হতো, সেটা শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দিত। এবার প্রকৃত মূল্যায়ন হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ওপর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কারিকুলাম পরিবর্তনের চাপও ছিল। গণিত ও ইংরেজি শিক্ষকের সংকটও তাদের পিছিয়ে দিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘যারা প্রাইভেট ও কোচিংয়ে যেতে পারে, তারা কিছুটা ভালো করে। কিন্তু গ্রামীণ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ পায় না। ফলে শিখনবৈষম্য থেকেই যাচ্ছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণেরও ঘাটতি আছে।”

মূলত গত ১৫ বছরে সরকার পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলকে একটি ‘সাফল্যের বার্তা’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। অনেক সময় শিক্ষকদের চাপ দিয়ে নম্বর বাড়াতে বাধ্য করা হয়েছে। এর ফলে ফলাফল দেখে সন্তুষ্ট হলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখন নিশ্চিত হয়নি। বরং তাদের মেরুদণ্ড দুর্বল করা হয়েছে।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ:

বরিশাল বোর্ডে এবার সবচেয়ে কম পাসের হার ৫৬.৩৮ শতাংশ। এই বোর্ডে গণিতে পাস করেছে মাত্র ৬৪.৬২ শতাংশ।
ময়মনসিংহ বোর্ডেও পরিস্থিতি প্রায় একই পাসের হার ৫৮.২২ শতাংশ, গণিতে ৬৪.২৭ শতাংশ।
ঢাকা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭৫.১৪,
রাজশাহীতে ৮৬.৫২,
যশোরে ৮৫.০২,
চট্টগ্রামে ৮১.৫৩,
সিলেটে ৮৩.১৭,
কুমিল্লায় ৭২,
দিনাজপুরে ৭১.৩৫,
আর মাদরাসা বোর্ডে ৭৯.৭৩ এবং কারিগরি বোর্ডে ৮৮.৭২ শতাংশ।

কী বলছে শিক্ষা বোর্ড:
আন্ত: শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমরা এবার কোনো গ্রেস মার্কস বা বাড়তি নম্বর দিইনি। শিক্ষকদের বলে দেওয়া হয়েছিল, উত্তরপত্রে যা প্রাপ্য, কেবল সেটাই দেবেন। এটি শতভাগ মেধাভিত্তিক ফলাফল।’

তিনি আরো বলেন, ‘এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি। সমঝোতার ভিত্তিতে পরিচালিত ৭৩টি কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে নকলের সুযোগও অনেক কমেছে।’

বরিশাল বোর্ডের ফল বেশি খারাপ হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেখানে প্রান্তিক ও খাল-বিলঘেরা এলাকা বেশি। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা তুলনামূলক কঠিন। আবার আমরা দেখেছি, মহানগরের বাইরে উপজেলায় গেলে পাসের হার স্বাভাবিকভাবেই কমে। কারণ শহরে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেশি, তারা ফলাফলে এগিয়ে থাকে।’

তবে এই পরিবর্তন অনেকেই ইতিবাচক হিসেবেও দেখছেন। তাদের মতে- “এতোগুলা বছর আমরা দেখতাম পরীক্ষা দিলেই পাশ, ক্লাস না করেও পাশ। এমনকি পরীক্ষায় উপস্থিত না হয়েও A+ পেয়ে যায়। কিছু কিছু সময় ৫ লক্ষ টাকাশ A+ কিনতেও দেখা গেছে। তবে এবার তার লেশমাত্র আমরা দেখিনি। যদি এভাবে কঠোরতার সাথে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হয়, তাহলে নিশ্চিত থাকেন শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় মনোযোগী হবে।”

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু