খুঁজুন

স্কুল-কলেজের সভাপতির পদ নিয়ে নতুন নির্দেশনা, গেজেট প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
স্কুল-কলেজের সভাপতির পদ নিয়ে নতুন নির্দেশনা, গেজেট প্রকাশ

একই ব্যক্তি টানা দু’বারের বেশি বেসরকারি স্কুল ও কলেজ কমিটির সভাপতি হতে পারবে না এবং ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক’ পাস হতে হবে, এমন নীতিমালা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রোববার (৩১ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ‘বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৫’ জারি করা হয়। রোববার ময়মনসিংহ ও সিলেট শিক্ষাবোর্ড এবং গত ২৮ আগস্ট ঢাকা শিক্ষাবোর্ড একই প্রজ্ঞাপন জারি করে।

গেজেটে প্রবিধান ৬-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে উল্লেখ করে বলা হয়, ‘কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর ২ (দুই) বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতির পর এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন।’

এছাড়াও প্রবিধানমালায় ম্যানেজিং কমিটির বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব একটি ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে।’

ম্যানেজিং কমিটিতে থাকবে একজন সভাপতি ও একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য থেকে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য থেকে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য থেকে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। আরও শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য থেকেও তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে মোট সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধির সংখ্যা ২ (দুই) জনের পরিবর্তে ৩ (তিন) জন হবে।

সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে, মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকদের মধ্য থেকে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি সংযুক্ত সকল স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য থেকে সকল স্তরের শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ (চার) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য থেকে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

অরও শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য থেকে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য থেকে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে একজন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। উক্ত ক্ষেত্রে নির্বাচিত মোট সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির সংখ্যা ৪ (চার) জনের পরিবর্তে ৫ (পাঁচ) জন হবে।

সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকরে মধ্য থেকে সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

প্রবিধান ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে-

গভর্নিং বডির সভাপতি:
কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর ২ (দুই) বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতি অন্তে এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন।

কোনো ব্যক্তি একটির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না।

কোনো ব্যক্তি যে কোনো ধরনের মোট ৩টির (তিন) বেশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

প্রবিধান ৭ এর উপ-প্রবিধান (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-প্রবিধান (১) প্রতিস্থাপিত হবে-

(১) গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের লক্ষ্যে, প্রবিধান ৬ এর উপ-প্রবিধান (১) এ উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা সাপেক্ষে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, ক্ষেত্রমত, বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনাক্রমে, নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণের মধ্য থেকে ৩ (তিন) জন ব্যক্তির নাম ও জীবনবৃত্তান্ত সম্বলিত প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কাছে পাঠাবেন।
(ক) সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন কোনো কর্মকর্তা অথবা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;
(খ) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে কর্মরত কোনো সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক;
(গ) সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা; এবং
(ঘ) এমবিবিএস অথবা প্রকৌশল বা কৃষিসহ যেকোনো কারিগরি বিষয়ে ৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রিসহ সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ কোনো কর্মকর্তা বা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা: তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতি পদে প্রস্তাবিত ব্যক্তিগণের নামের তালিকাক্রম মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই অগ্রাধিকারক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

প্রবিধান ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ১০ প্রতিস্থাপিত হবে-ম্যানেজিং কমিটি গঠন। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হবে-

(ক) একজন সভাপতি:
(খ) সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি:
(অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
(আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
(গ) সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি:
(অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য থেকে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।
(আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।
(ঘ) সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি:
(অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ (চার) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ (দুই) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন;

সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি:

(অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হইতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;
(আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;

(চ) প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি:
মাধ্যমিক অথবা, ক্ষেত্রমত, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, তবে একাধিক প্রতিষ্ঠাতা থাকলে তাদের মধ্য হতে তাদের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি থাকবেন।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু